চট্টগ্রামের
বদলে আজ (সোমবার) থেকে
কক্সবাজারের উদ্দেশে চলাচল করবে ৭২১/৭২২
নং মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেন। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ পাঁচ
জেলার মানুষ প্রথমবারের মতো ট্রেনে কক্সবাজার
যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
আগে
শুধু ঢাকা থেকে সরাসরি
ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়া যেত। ঢাকা-কক্সবাজার
পথের দুটি ট্রেনই বিরতিহীন।
কমলাপুর থেকে ছাড়ার পর
শুধু বিমানববন্দর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। এরপর ট্রেনগুলো
চট্টগ্রাম গিয়ে থামে। সেখান
থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়।
রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকা-কক্সবাজার
রুটে মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের সম্প্রসারিত সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। সেই লক্ষ্যে সব
প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নতুন
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৭২১ নম্বর মহানগর
এক্সপ্রেস কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায়
ছেড়ে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে
চট্টগ্রাম পৌঁছাবে।
অন্যদিকে,
৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত
৮টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে
রাত ২টা ৪০ মিনিটে
চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। চট্টগ্রাম থেকে রাত ৩টায়
ছেড়ে ট্রেনটি সকাল ৬টায় কক্সবাজার
পৌঁছাবে।
ট্রেনটি
কক্সবাজার পর্যন্ত চালুর খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ
করেছেন যাত্রীরা। এরই মধ্যে ট্রেনটির
বর্ধিত চলাচলের টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে।
মুহুর্তেই
প্রথম দিনের টিকিট শেষ হয়ে গেছে।
পরবর্তী দিনগুলোর বেলায়ও একই অবস্থা হয়।
ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটি রবিবার। ট্রেনটির
আসন সংখ্যা সাতশ'র বেশি।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৭২১ নম্বর মহানগর
এক্সপ্রেস কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায়
ছেড়ে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে
চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। চট্টগ্রাম থেকে দুপুর ১২টা
৩০ মিনিটে ছেড়ে ট্রেনটি সন্ধ্যা
৬টা ৩০ মিনিটে ঢাকায়
পৌঁছাবে।
অন্যদিকে,
৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত
৮টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে
রাত ২টা ৪০ মিনিটে
চট্টগ্রাম পৌঁছাবে। চট্টগ্রাম থেকে রাত ৩টায়
ছেড়ে ট্রেনটি সকাল ৬টায় কক্সবাজার
পৌঁছাবে।
ট্রেনটি
কক্সবাজার পর্যন্ত চালু হওয়ায় নরসিংদী,
কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনীর যাত্রীরা সহজে দেশের অন্যতম
জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারে যাতায়াতের সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে পরিবার নিয়ে
ভ্রমণ, পর্যটন এবং ব্যক্তিগত প্রয়োজনে
যাতায়াতের ক্ষেত্রে রেলপথে নতুন এই সংযোগ
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা
হচ্ছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারিত হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ দেখা দিয়েছে। নতুন এই রেলসংযোগ পর্যটন এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড