চলতি
বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার
ফল প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে
সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে ফল
প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড.
আ ন ম এহছানুল
হক মিলন। এবার ১১টি শিক্ষাবোর্ডে
গড় পাসের হার ৫২ দশমিক
১২ শতাংশ।
ফলাফলে
অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা আগামীকাল রবিবার (১ নভেম্বর) থেকে
উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন
করতে পারবেন। আবেদন চলবে ৭ নভেম্বর
পর্যন্ত। ঢাকা মাধ্যমিক ও
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ
করা হবে না।
যেভাবে
আবেদন করবেন
ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত
ওয়েবসাইটে (https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd)
প্রবেশ করতে হবে। পরে
নির্ধারিত ঘরে রোল ও
রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখতে হবে। এরপর ড্রপডাউন
তালিকা থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ড
নির্বাচন করে ‘সাবমিট’ বাটনে
ক্লিক করতে হবে। পরবর্তী
ধাপে মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনঃনিরীক্ষণের
ফল প্রকাশের পর ওই নম্বরে
এসএমএস পাঠানো হবে।
এরপরের
স্ক্রিনে বিষয়ভিত্তিক ফল দেখা যাবে।
যে এক বা একাধিক
বিষয়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে চান, সেগুলো
নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান
করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
প্রতি
পত্রে ফি ১৫০ টাকা
প্রতিটি পত্রের জন্য পুনঃনিরীক্ষণ ফি
১৫০ টাকা। দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্য
আবেদন করতে হবে। নির্বাচিত
বিষয় অনুযায়ী মোট প্রদেয় ফির
পরিমাণ পরবর্তী স্ক্রিনে দেখা যাবে।
ফি পরিশোধ করা যাবে বিকাশ,
নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের
রকেট, উপায় ও সোনালী
সেবার মাধ্যমে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত
নির্দেশনা আবেদন পোর্টালের ‘হেল্প’ বাটনে পাওয়া যাবে।
ফি পরিশোধের পর আবেদন পোর্টালে
ফিরে ‘জমা দিন’ বাটনে
ক্লিক করতে হবে। তাহলেই
আবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া
সম্পন্ন হবে।
আবেদন
সংশোধনে যেসব বিষয় জানা
জরুরি
শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, একবার ফি দিয়ে আবেদন
জমা দেওয়ার পর আরও কোনো
বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একই
পদ্ধতিতে আবেদন করা যাবে। তবে
নতুন করে মোবাইল নম্বর
দিতে হবে না।
অন্যদিকে, ফি পরিশোধের আগে আবেদন পরিবর্তন বা সংশোধনের প্রয়োজন হলে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো প্রত্যাহার করে নতুন বিষয় নির্বাচন করা যাবে। তবে ফি জমা দেওয়ার পর আবেদন করা বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না। কোনো অবস্থাতেই পরিশোধ করা ফি ফেরত দেওয়া হবে না।
প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড