চলতি
মাসে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের
বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডকে
বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট
সিরিজের প্রস্তুতির জন্য এই সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে।প্যাট কামিন্সের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেবেন
মিচেল মার্শ।
ঘোষিত
দলে সম্প্রীতি ভারত সফরে ‘অস্ট্রেলিয়া
এ’ দলের হয়ে দুর্দান্ত
পারফরম্যান্স করার সুবাদে ফাস্ট
বোলার মাহলি বিয়ার্ডম্যান দলে ডাক পেয়েছেন।
ফল এই মাসেই তার
ওয়ানডে অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আগামী ১৩ নভেম্বর পার্থে
সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর
অ্যাডিলেড ও হোবার্টে যথাক্রমে ১৫ ও ১৮
নভেম্বর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে
অনুষ্ঠিত হবে। এরপর উভয়
দল পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ
খেলবে। নির্বাচক প্যানেলের প্রধান জর্জ বেইলি বিয়ার্ডম্যানের
অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কথা বলতে
গিয়ে জানান, নির্বাচকদের বিশ্বাস আগামী বছরগুলোতে তিনি সব ফরম্যাটে
খেলার মতো একজন খেলোয়াড়
হয়ে উঠতে পারেন।
বেইলি
বলেন, অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের হয়ে
মাহলি বিয়ার্ডম্যানের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। জাতীয়
দলে তার এই প্রত্যাবর্তন
নিয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।
আমাদের বিশ্বাস, আগামী বছরগুলোতে তিনি নিজেকে সব
ফরম্যাটের উপযোগী একজন খেলোয়াড় হিসেবে
গড়ে তুলতে পারবেন।
পাঁচ
ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে
উইকেটরক্ষক-ব্যাটার লাকলান শ এবং স্যাম
হার্পার প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে
সুযোগ পাচ্ছেন। ভারতের সাম্প্রতিক সফর এবং বিগ
ব্যাশ লিগে (বিবিএল) দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে শ দলে জায়গা
করে নিয়েছেন। ২৩ বছর বয়সী
এই ক্রিকেটার নিউ সাউথ ওয়েলসের
ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবেও
দায়িত্ব পেয়েছেন।
দক্ষিণ
আফ্রিকা সফরের জন্য জাতীয় টেস্ট
দলে জায়গা পাওয়ার পর স্যাম হার্পারও
নতুন করে আলোচনায় এসেছেন।
মেলবোর্ন স্টার্সের এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার
গত বিবিএল আসরের সেরা খেলোয়াড় (প্লেয়ার
অব দ্য সিজন) নির্বাচিত
হয়েছিলেন এবং শীতকালীন সময়ে
বিদেশে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলেছেন।
এদিকে
জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক ও মিচেল ওয়েনও
টি-টোয়েন্টি দলে ফিরে এসেছেন।
ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক সর্বশেষ ২০২৫ সালের জুলাই
মাসে জাতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন।
তবে চলতি মৌসুমে সাউথ
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে
তিনি দারুণ ফর্মে রয়েছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ও বাংলাদেশ সফরের দলে না থাকা
মিচেল ওয়েনও পুনরায় দলে ফিরেছেন।
জিম্বাবুয়ে
সফরের সময় পাওয়া সাইড
স্ট্রেইন ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার
প্রক্রিয়ায় থাকায় বিলি স্ট্যানলেকও দলের
বাইরে রয়েছেন। এছাড়া কাঁধের ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে
থাকা অ্যারন হার্ডি, রাইলি মেরেডিথ এবং ম্যাথিউ কুনেম্যানও
এবারের দলে জায়গা পাননি।
অস্ট্রেলিয়ার
ওয়ানডে স্কোয়াড:
মিচেল
মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, মালি বিয়ার্ডম্যান, অ্যালেক্স
ক্যারি, কুপার কনোলি, জ্যাক এডওয়ার্ডস, ক্যামেরন গ্রিন, ট্র্যাভিস হেড, জশ ইংলিস,
স্পেন্সার জনসন, অলি পিক, ম্যাথু
রেনশ, লিয়াম স্কট এবং অ্যাডাম
জাম্পা।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজের
জন্য
টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড:
মিচেল
মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, মালি বিয়ার্ডম্যান, নিখিল
চৌধুরী, টিম ডেভিড, জোয়েল
ডেভিস, জ্যাক এডওয়ার্ডস, নাথান এলিস, জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক,
স্যাম হার্পার, স্পেন্সার জনসন, মিচেল ওয়েন, লকলান শ এবং অ্যাডাম
জাম্পা।